Homeরাজনীতিশহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

আজ ৩০ মে, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক মর্মান্তিক সেনা অভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণ করেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের এই প্রবক্তা।

দীর্ঘ ১৫ বছর পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফেরে বিএনপি। শহীদ জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের অধীনে এবারের শাহাদাতবার্ষিকী ভিন্ন আবহে এবং ব্যাপক আয়োজনে পালিত হচ্ছে। তবে গত বছরের (২০২৫) ডিসেম্বরে দলীয় চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর, তাঁকে ছাড়াই এবারই প্রথম এই দিবসটি পালন করছে দলটি।

শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে আগামী ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

আজকের মূল কর্মসূচি (৩০ মে, শনিবার) ভোর ৬:০০ টা নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন।

সকাল ১১:০০ টা প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত।

জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত মাহফিল।

দিনব্যাপী ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানা এবং দেশের সব জেলা ও মহানগরে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ।

পরবর্তী কর্মসূচি (৩১ মে, রোববার) আগামীকাল রোববার বেলা ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেবেন।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার ঘোষক, অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং বীরত্বপূর্ণ ‘জেড ফোর্স’-এর অধিনায়ক। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক। দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ‘সার্ক’ (SAARC)-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও উদ্যোক্তা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিএনপি এ পর্যন্ত পাঁচবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।

আজকের এই দিনে দেশজুড়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছে এই মহান নেতাকে। সারা দেশের স্থানীয় ইউনিটগুলো তাদের সুবিধাজনক সময়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments