বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে একটি চলমান মামলার সাক্ষীকে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে ইউনিয়নের ঘুনগাছতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগকারী সজল দাস জানান, তিনি রামুর চিকিৎসক ডা. কেপি দাসের জমির কেয়ারটেকার এবং একটি মামলার সাক্ষী। ডা. কেপি দাসের অভিযোগ, সোনাইছড়িতে তার মালিকানাধীন জমির বাগানের গাছ কেটে ফেলা, সবজি বাগান ও খামারবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়। এ ঘটনায় তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের হেডম্যানপাড়া এলাকার মং থোয়াইচিং মার্মার ছেলে মংখইন মার্মাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
সজল দাসের দাবি, মামলার সাক্ষী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ডা. কেপি দাসের জমিতে নির্মাণকাজ চলাকালে দুপুরে ঘুনগাছতলা এলাকার আলমের হোটেলে খাবার খেতে গেলে মংখইন মার্মা ও তার সহযোগীরা সেখানে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে কাঠের বাটাম নিয়ে হামলার চেষ্টা করলে সঙ্গে থাকা রাজমিস্ত্রি করিম ও স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী সবুদ এগিয়ে এসে তাকে রক্ষা করেন। এ সময় তাকে তুলে নিয়ে হত্যারও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সজল দাস আরও জানান, ঘটনার সময় তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল কালামকে ফোন করলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তার দাবি, আবুল কালাম সময়মতো সেখানে না পৌঁছালে আরও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারত।
ঘটনার পর থেকে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সজল দাস। তিনি এ ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ, নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মংখইন মার্মার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


