প্রতিবেদক : রিজন বড়ুয়া
কক্সবাজারের রামু থানায় বিভিন্ন মামলায় জব্দ করা বেশ কয়েকটি গাড়ি দীর্ঘদিন ধরে থানার সামনে ও সড়কের পাশে পার্কিং করে রাখা হয়েছে। এতে সড়ক সংকুচিত হয়ে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন মামলায় জব্দ করা গাড়িগুলো থানার নির্ধারিত স্থানের পরিবর্তে সড়কের পাশে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় এসব গাড়িতে ধুলাবালি জমেছে এবং কোনো কোনো যানবাহন নষ্ট হয়ে গেছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক ( সুজন) রামু শাখার সভাপতি মাষ্টার মোঃ আলম বলেন, সড়কের পাশে জব্দ করা গাড়ি রাখার কারণে রাস্তা সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি দূর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে পথচারীদের পাশ কাটিয়ে যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সড়কের একটি অংশ এসব গাড়ি দখল করে রাখায় যানবাহনকে অনেক সময় মূল সড়কের একেবারে পাশ দিয়ে চলাচল করতে হয়। এতে পথচারীদের সঙ্গে চলন্ত যানবাহনের সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। দ্রুত এসব গাড়ি সরিয়ে না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
অ্যাড. শিপ্ত বড়ুয়া বলেন, বিভিন্ন মামলায় জব্দকৃত গাড়ি থানা কতৃপক্ষের কম্পাউন্ডের ভেতরে বা অন্য কোন জায়গায় রাখা উচিত। মূল সড়কের উপর জব্দকৃত গাড়ি রাখা অনুচিত। যেহেতু রামু-মরিচ্যা সড়ক এখন বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে এভাবে জব্দকৃত গাড়ি ফেলে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ।
সচেতন মহলের দাবি, মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা যানবাহন সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকা প্রয়োজন। জনসাধারণের চলাচলের সড়ক দখল করে এসব গাড়ি রাখা কোনোভাবেই নিরাপদ নয়। তাই দ্রুত জব্দ করা গাড়িগুলো নিরাপদ ও নির্ধারিত স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের মামলাগুলোর আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে রামু থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ এ.কে ফজলুল হক বলেন,থানার সাসনে গাড়ি রাখাটা আমার পছন্দ হয় নাই। দেখি এ বিষয়ে কি করা যায়।


